বাংলাদেশের ভিতরে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা ,যেমন পযর্টক এলাকা নামে সু পরিচিত তেমন শুটকি দিয়েও পরিচিত লাভ করেছে বেশ। এখানে বাংলাদেশর প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ শুটকি উৎপাদন হয় কুয়াকাটা শুটকি পল্লী সহ। মহিপুর থানা আওতা অধীন নজিবপুর, নিজামপুর ,সুধীরপুর। এসব জাগায় ঘুড়ে দেখা যায় জেলে সহ ব্যাস্ত ব্যবসায়ীরা। জেলেরা ব্যাস্ত তাদের ট্রলার মেরামতে কেও বা আবার নতুন ট্রলার গড়াতেও ব্যাস্ত। ব্যবসায়ীরাও ব্যাস্ত সময় পার করছেন কেও মাছ রাখার ঘড় করছে।কেও মাছ শুকানোর জায়গা প্রস্তুত করছে কেও বা আবার চাঙ খিলাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রতি বছরের চেয়ে এবছর মাছের সংখ্যা একটু বেশি এজাগায় প্রায় ৩০/৩৫ জাতের মাছ শুটকি করা হয় যেমন। লইট্টা ,ছুরি ,কোরাল ,লাক্কা ,টোনা রুপচাঁদা ,বাইন ,মেত মাছ ,পোয়া ,সুন্দরী , ফাইসা , চৈউয়া ,ছেনা ,চেপা ,ঢেলা ইলিশ ,গোলপাতা ,রিডা ,গাঙড়া টেখরা ,পাখি মাছ,চিতলা, বাশপাতা, পোয়া, সোনাপাতা ,রুপসা ,চিংড়ি ,ভৃলা চিংড়ি এবং এর চাহিদাও বেশি কেনো না আমাদের এই শুটকি মাছ বাংলাদেশ ছারাও বাহিরে রপ্তানি হচ্ছে এবং এর বেশ সুনাম রয়েছে ,কেনোও না আমরা মাছ টা একদম প্রকৃতিক উপায় তৈরি করে থাকি সুর্যের আলোর মাধ্যমে এবং আমরা কোনো প্রকার বিষ বা মেডিসিন ব্যাবহার করি। এ কারনে আমাদের কুয়াকাটার শুটকি মাছ টা খেতে অনেক সুস্বাদু। তাই এর পরিচিত রয়েছে বেশ ভালো। তবে তাদের দাবি সরকারি ভাবে যদি তারা কোনো সহযোগিতা পায় তাহলে তারা আরও সুন্দর ভাবে ব্যবসা পরিচলনা করতে পারবে।
সততা ফিসের ম্যানেজার রবিউল ইসলাম জানান যে আমাদের এলাকার শুটকির চাহিদা বাংলাদেশ পেরিয়ে বাহিরের ঘনটিতেও পৌঁছে গেছে। কিন্তু সরকার যদি ব্যবসায়ীদের ভালো একটা জায়গা করে দিতো তাইলে তারা সুন্দর ভাবে ব্যাবসা করতে পারতো এবং। সুন্দর ও সঠিক শুটকি উৎপাদন করতে পারতো।
আপনার মতামত লিখুন :