ঢাকা | বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে বিউটি বেগম হত্যা মামলায় আসামি স্বীকারোক্তি প্রদান

  • প্রকাশিত : 20-10-2025
  • নিউজটি দেখেছেনঃ

রাজশাহীতে বিউটি বেগম হত্যা মামলায় আসামি স্বীকারোক্তি প্রদান ছবির ক্যাপশন: রাজশাহীতে বিউটি বেগম হত্যা মামলায় আসামি স্বীকারোক্তি প্রদান
ad728

রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার আলোচিত বিউটি বেগম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির মধ্যে একজন, মো. তারা মিয়া, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. তারা মিয়া (৩৩), মো. ফারুক হোসেন (৩০) এবং মো. হেলাল উদ্দিন (২৩)। তারা মিয়া পবা থানার বাগসারা গ্রামের মো. আব্দুল বারেকের ছেলে, ফারুক হোসেন মহানন্দাখালী এলাকার মো. ইছুল মণ্ডলের ছেলে এবং হেলাল উদ্দিন পিল্লাপাড়া এলাকার মৃত এন্তাজ আলীর ছেলে।

আরএমপি’র পবা থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ তৎপরতায় মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হয়। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শারিফুর রায়হান আসামিদের সনাক্ত করেন এবং ডিবি পুলিশের সহযোগিতা নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে বোয়ালিয়া থানাধীন সোনাদিঘীর মোড় এলাকা থেকে তারা মিয়া প্রথমে গ্রেপ্তার হন। ধারাবাহিক অভিযানে ফারুক হোসেন পবা থানার মহানন্দাখালী এলাকা থেকে এবং হেলাল উদ্দিন পিল্লাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে তারা মিয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে এবং অন্য দুই আসামিও এই ঘটনায় জড়িত বলে জানিয়েছে। সে উল্লেখ করে, নিহত বিউটি বেগম টাকার বিনিময়ে অসামাজিক কাজে জড়িত ছিলেন। আসামিরা ৫ হাজার টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিউটির সঙ্গে চুক্তি করেন, কিন্তু পরে টাকা পরিশোধ না করে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে মরদেহ ধানের জমিতে ফেলে রাখে। তদন্ত কর্মকর্তা অপর দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে রিমান্ড আবেদন করবেন।

নিহতের ছেলে মো. মিলন প্রাং (২৫) পবা থানায় দায়ের করা এজাহারে জানান, তাঁর মা প্রায় ১৫ বছর আগে পারিবারিক কলহের কারণে বাবার সঙ্গে আলাদা হয়ে আলাইবিদিরপুর গ্রামে ভাড়া থাকতেন এবং স্থানীয় একটি হোটেলে কাজ করতেন। দুই বছর আগে তিনি গাইবান্ধার মো. রাশেদ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। ১৮ অক্টোবর সকালে রাশেদ মিলনকে ফোন করে জানান যে বিউটির ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরে মিলন তার ভাড়া বাসায় গিয়ে ঘর তালাবদ্ধ দেখে এবং স্থানীয়দের থেকে জানতে পারেন যে কয়েকদিন ধরে ঘরটি বন্ধ রয়েছে। পরে পবা থানার বাগসারা এলাকায় অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার হয়। নিহতের কোমরে থাকা চাবি দিয়ে মিলন নিশ্চিত হন যে মৃতদেহটি তার মা বিউটি বেগমের।




ad728
ad728
সর্বশেষ সংবাদ
ad728
notebook

ফুলবাড়ীতে বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

ad728